Mock Test চলে ঢাকা থেকে। এই পেজে লেখা আছে — আপনার ব্রাউজারে ঠিক কী কী জমা থাকে, অনুমতি পেলে আমরা আর কী রাখতে চাই, আর মত বদলাতে চাইলে কী করবেন।
কোনো কিছু বুঝতে অসুবিধা হলে [email protected]-এ লিখুন, একজন মানুষ উত্তর দেবে।
এক কথায়
চারটা ছোট জিনিস জমা থাকে, কারণ ওগুলো ছাড়া সাইটটাই চলে না। আরও চারটা জমা থাকে শুধু আপনি হ্যাঁ বললে — আর ওই দ্বিতীয় দলের কোনোটাই পরীক্ষা দেওয়ার সময় বা রেজাল্ট দেখার সময় চলে না।
EU, EEA, যুক্তরাজ্য আর সুইজারল্যান্ডে আমরা দ্বিতীয় দলের কিছু রাখার আগে জিজ্ঞেস করি, আর আপনি সম্মত না হওয়া পর্যন্ত ওগুলোর একটাও লোড হয় না। অন্য সব জায়গায় ওগুলো লোড হয়, যদি আপনি মানা না করেন — আর মানা করতে পারেন, যেকোনো পেজের নিচে Cookie settings থেকে।
যেগুলো সাইট চালাতেই লাগে
এগুলো ইচ্ছাধীন নয়। এগুলো ছাড়া সাইন-ইন থাকে না, পরীক্ষার ঘড়ি থাকে না, ভাষাও থাকে না।
- আপনার সাইন-ইন, যাতে প্রতিটা পেজে পাসওয়ার্ড চাইতে না হয়। ব্রাউজারের ডেটা মুছলে আপনি লগ-আউট হয়ে যাবেন।
- আপনি যে ভাষা বেছেছেন, যাতে পরেরবার সাইটটা বাংলা বা ইংরেজিতেই খোলে। শুধু আপনি স্যুইচ চাপলেই এটা জমা হয় — আপনি কোথা থেকে আসছেন দেখে সাইট নিজে বাংলা ধরে নিলে কিছুই জমা হয় না।
- এই পেজের প্রশ্নের উত্তরে আপনি যা বলেছেন, যাতে প্রতিবার সাইট খুললে আবার জিজ্ঞেস করতে না হয়। এটা থাকে আপনার ব্রাউজারের নিজের স্টোরেজে, আমাদের কাছে কখনো আসে না।
- চলতি পরীক্ষায় আপনি কোথায় আছেন — কোন সেকশনে, কত সময় বাকি — যাতে ট্যাব রিফ্রেশ হলে পরীক্ষাটা নষ্ট না হয়।
এগুলোর একটাও আপনাকে অন্য কোথাও অনুসরণ করে না। একটাও আর কেউ পড়ে না।
যেগুলো শুধু আপনি অনুমতি দিলে
- Google Analytics, যাতে দেখতে পারি কোন পেজ থেকে মানুষ আসছে আর কোন পেজে এসে চলে যাচ্ছে। এটা আপনার ব্রাউজারে নিজের একটা চিহ্ন রাখে।
- Google Tag Manager, যার মাধ্যমে উপরের মাপজোকটা কোড না বদলেই সেট করা হয়।
- Meta পিক্সেল — Facebook আর Instagram মিলে একটাই পিক্সেল — আর TikTok পিক্সেল। এগুলো আমাদের বিজ্ঞাপনের জন্য: বিজ্ঞাপন দেখে কেউ সাইটে এসেছে কি না, সেটা ওই প্ল্যাটফর্মগুলোকে জানায়।
- Tawk.to, চ্যাট উইন্ডো, যেটা আপনি আগের আলাপে ফিরে এলে আপনাকে চিনতে পারে।
না বললে এগুলোর একটাও লোড হয় না। চুপচাপ পেছনে লোড হয় না, লোড হয়ে তারপর থেমে থাকে না — স্ক্রিপ্টটাই আনা হয় না, ফলে কুকি রাখার কিছুই থাকে না।
যে তিনটা কাজ আমরা করি না
পরীক্ষার ভেতরে কোনো মাপজোক নেই। পরীক্ষা দেওয়ার সময় বা রেজাল্ট দেখার সময় কোনো অ্যানালিটিক্স নেই, পিক্সেল নেই, চ্যাট উইন্ডোও নেই। সময় বাঁধা পরীক্ষার মাঝে থাকা একজন মানুষ গোনার জিনিস নয়, আর আপনার উত্তরপত্রের উপরে চ্যাটের বুদ্বুদ আমরা কোনোভাবেই রাখতে চাই না।
পাসওয়ার্ড বা ভেরিফিকেশন লিংক আমাদের মাপজোকে কখনো যায় না। ওই লিংকে একবার ব্যবহারযোগ্য কোড থাকে। Google-এ কিছু পাঠানোর আগেই কোডটা কেটে ফেলা হয়, তাই ওটা আপনার ব্রাউজারেই থাকে।
আমরা কারও কাছে কিছু বিক্রি করি না, আর কোনো consent প্ল্যাটফর্মও কিনি না। যে ব্যানারটা দেখছেন সেটা আমাদের নিজের, আমাদের কোডেই লেখা। একটা consent টুল নিজেই তো তৃতীয় পক্ষের স্ক্রিপ্ট, যেটা আপনি কিছুতে সম্মতি দেওয়ার আগেই লোড হতো — পুরো ব্যাপারটার উল্টো।
পেমেন্টের পেজ আমাদের নয়
টাকা দেওয়ার সময় কার্ড, bKash বা Nagad-এর তথ্য আপনি যে পেজে টাইপ করেন, সেটা আমাদের পেমেন্ট পার্টনারের — আমাদের নয়। কোন পার্টনার, সেটা আপনি কোথায় আছেন তার উপর নির্ভর করে:
- বাংলাদেশে EPS, যেটা bKash, Nagad, Rocket আর বাংলাদেশি কার্ড চালায়;
- অন্য যেকোনো জায়গায় Polar, যারা আন্তর্জাতিক কেনাকাটায় বিক্রেতা হিসেবে থাকে এবং কার্ড ও স্থানীয় বিক্রয়কর সামলায়।
ওই পেজগুলো নিজেদের নিয়মে নিজেদের কুকি রাখে, আর নিরাপদে টাকা নিতে ওগুলো ওদের দরকার। আপনার কার্ড নম্বর বা পিন আমরা কখনো দেখি না। পেমেন্ট নিয়ে আমরা কী রেখে দিই — শুধু রসিদটা, এর বেশি কিছু না — সেটা আছে আমাদের প্রাইভেসি পলিসি-তে।
মত বদলাতে চাইলে
যেকোনো পেজের নিচে Cookie settings। ওটা আবার জিজ্ঞেস করবে, আর আপনার নতুন উত্তরটাই আগেরটার জায়গা নেবে।
সম্মতি দেওয়া যত সহজ, ফিরিয়ে নেওয়াও ঠিক ততটাই সহজ — এটা আইনেরও দাবি, আর জিজ্ঞেস করার সৎ উপায়ও এটাই। একটা জিনিস জেনে রাখুন: আপনি যে পেজটা দেখছেন তাতে ইতিমধ্যে চালু হয়ে যাওয়া স্ক্রিপ্ট আর থামানো যায় না, তাই ওটা সরাতে পেজটা একবার রিলোড হয়।
ব্রাউজার থেকেও করতে পারেন। এই সাইটের কুকি ব্লক করলে বা মুছে দিলে উপরের সবই চলে যায় — সাইট চালাতে যে চারটা লাগে সেগুলোসহ। মানে আপনি লগ-আউট হয়ে যাবেন, আর কুকির প্রশ্নটা আবার আসবে। সাইট তবু চলবে; শুধু আপনাকে আর মনে রাখবে না।
এটা কোথায় লেখা আছে
যেখানে আইনত বাধ্যতামূলক, সেখানেই আমরা সম্মতি চাই — EU, EEA, যুক্তরাজ্য আর সুইজারল্যান্ড — কারণ ePrivacy Directive ও GDPR অনুযায়ী অপ্রয়োজনীয় কিছু রাখার আগে একটা সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দিতে হয়, আর যুক্তরাজ্যে PECR-ও একই কথা বলে। অনুরোধটা কোথা থেকে এসেছে বুঝতে না পারলে আমরা ধরে নিই এমন জায়গা, যেখানে জিজ্ঞেস করতে হয় — কারণ উল্টোদিকে ভুল করলে সেটা আর ফিরিয়ে নেওয়া যায় না।
এই পেজ বদলালে
উপরের তারিখটাও বদলাবে। যা কিছু সংগ্রহের পরিধি বাড়ায়, সেটা চুপচাপ উপরের তালিকায় যোগ না করে আবার জিজ্ঞেস করা হয়।

