আইনি

প্রাইভেসি পলিসি

Mock Test আপনার কোন তথ্য রাখে, কে কে দেখতে পায়, কতদিন থাকে আর কীভাবে মুছে ফেলবেন — সবটা সহজ বাংলায়।

সর্বশেষ হালনাগাদ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

Mock Test চলে ঢাকা থেকে। এই পেজে লেখা আছে — আপনার সম্পর্কে আমরা কী জানি, আর কে কে সেটা দেখতে পায়, কতদিন রাখি, আর মুছতে চাইলে কী করবেন।

কোনো কিছু বুঝতে অসুবিধা হলে [email protected]-এ লিখুন, একজন মানুষ উত্তর দেবে।

আপনার সম্পর্কে আমরা কী জানি

কারণ আপনি নিজে বলেছেন

আপনার নাম, ইমেইল আর আপনার বেছে নেওয়া পাসওয়ার্ড। পাসওয়ার্ডটা আমরা দেখতে পাই না — আমরাও না। এ কারণেই ভুলে গেলে আমরা শুধু নতুন একটা সেট করতে সাহায্য করতে পারি, পুরোনোটা বলে দিতে পারি না।

ইচ্ছা হলে দিতে পারেন: ফোন নম্বর, লিঙ্গ, জন্মতারিখ, দেশ আর একটা ছবি। পরীক্ষা দিতে এগুলোর কোনোটাই লাগে না।

Google বা Facebook দিয়ে সাইন ইন করলে আমরা শুধু আপনার নাম আর ইমেইলটাই পাই। ওই অ্যাকাউন্টের আর কিছুই আমাদের কাছে আসে না।

কারণ আপনি পরীক্ষা দিয়েছেন

আপনার উত্তরগুলো, কোন সেকশনে ছিলেন, কখন শুরু করেছেন আর কখন শেষ, আর উত্তর অনুযায়ী কত ব্যান্ড হলো। Writing-এর বেলায় আপনি যা লিখেছেন, আর সেটা কীভাবে মার্ক হলো — ইনস্ট্রাক্টর দিয়ে, কিংবা আপনি বেছে নিলে আমাদের AI দিয়ে।

Speaking-এর বেলায় প্রতিটা প্রশ্নের উত্তরে আপনার কণ্ঠের রেকর্ডিং, আর সেটার মার্কিং। মাইক্রোফোন চালুর আগে আপনার ব্রাউজার অনুমতি চায়। সেকশন শুরুর আগে একটা ছোট সাউন্ড চেক কয়েক সেকেন্ড রেকর্ড করে, যাতে আপনি নিজের গলা শুনে নিতে পারেন — ওই ক্লিপটা আপনার ব্রাউজারেই বাজে, আমাদের কাছে কখনো আসে না। আসল উত্তরগুলো আমাদের কাছে আসে, যাতে মার্ক করা যায়।

আপনি AI মূল্যায়ন বেছে নিলে রেকর্ডিংগুলো একটা speech-recognition সেবা শব্দে শব্দে লিখে দেয়, আর রেকর্ডিং ও সেই ট্রান্সক্রিপ্ট মার্ক করে একটা AI মডেল; ট্রান্সক্রিপ্টটা আমরা আপনার উত্তরের সঙ্গে রেখে দিই। Writing-এ AI মূল্যায়ন বেছে নিলে সেটাও মার্ক করে একই AI মডেল। আপনি ইনস্ট্রাক্টর বেছে নিলেও, তাঁকে মার্কিংয়ে সাহায্য করতে আমরা এই সেবাগুলো ব্যবহার করতে পারি। এর বাইরে কেউ আপনার উত্তর শোনে বা পড়ে না।

এটাই তো মূল জিনিস। যে মক টেস্ট আপনার উত্তর মনে রাখে না, সে মার্কিংও করতে পারে না, কোথায় নম্বর গেল দেখাতেও পারে না, আর আপনি এগোচ্ছেন কি না সেটাও বলতে পারে না।

কারণ আপনি টাকা দিয়েছেন

আপনার কার্ড নম্বর, bKash বা Nagad-এর PIN, CVV — এগুলো আমরা কখনোই দেখি না। ওগুলো আপনি টাইপ করেন পেমেন্টের পেজে, যেটা আমাদের পার্টনারের, আমাদের না।

আমরা রাখি শুধু রসিদটা: কত টাকা, কোন মাধ্যমে, কখন, আর হয়েছে কি না। এটুকু না থাকলে আপনাকে access দেওয়া যায় না, টাকা ফেরতও দেওয়া যায় না।

আপনি কিছু না করলেও যা জমা হয়

আপনার IP ঠিকানা, কোন ধরনের ডিভাইস ও ব্রাউজার ব্যবহার করছেন, আর মোটামুটি কোন শহর ও দেশে আছেন।

শেষেরটা বের করার কাজটা আমাদের নিজেদের কম্পিউটারেই হয় — আপনার ঠিকানা এর জন্য অন্য কোথাও পাঠানো হয় না। এটা কাজে লাগে তিনটা জিনিসে: বাংলাদেশ থেকে কেউ এলে না বলতেই সাইটটা বাংলায় খোলা, ফোনের ঘরে ঠিক দেশের কোডটা বসানো, আর কেউ অ্যাকাউন্টে ঢোকার চেষ্টা করছে কি না সেটা বোঝা।

আর কে কে দেখতে পায়

আমরা এসব কারও কাছে বিক্রি করি না, বিজ্ঞাপনের জন্যও কাউকে দিই না। শুধু নিচের কাজগুলোর জন্যই যায়:

  • পেমেন্ট পার্টনার, যারা টাকাটা নেয়। কার্ডের তথ্য সরাসরি ওদের কাছে যায়, আমাদের দিয়ে যায় না। কোন পার্টনার, সেটা আপনি কোথায় আছেন তার উপর নির্ভর করে: বাংলাদেশে EPS, যারা bKash, Nagad, Rocket আর বাংলাদেশি কার্ড চালায়; আর অন্য সব জায়গায় Polar, যারা আন্তর্জাতিক কেনাকাটায় বিক্রেতা হিসেবে থাকে এবং কার্ড ও স্থানীয় বিক্রয়কর সামলায়। দুই ক্ষেত্রেই ওরা পায় আপনার নাম, ইমেইল আর টাকার পরিমাণ — একটা রসিদে যা যা লাগে — আর কার্ড নম্বর আমাদের কাছে কখনো আসে না।
  • যে সেবা আমাদের মেইল পাঠায়, যাতে ভেরিফিকেশন বা পাসওয়ার্ড রিসেটের চিঠিটা আপনার কাছে পৌঁছায়।
  • Google Analytics, যাতে বুঝতে পারি কোন পেজ থেকে মানুষ সাইটে আসছে।
  • AI মূল্যায়নের পেছনের সেবাগুলো — রেকর্ড করা উত্তর লিখে দেওয়ার জন্য একটা speech-recognition সেবা (Speechmatics), আর Writing ও Speaking মার্ক করার জন্য একটা AI মডেল সেবা (Google-এর Gemini)। ওরা পায় শুধু মার্ক করতে যা লাগে — আপনার লেখা বা রেকর্ডিং, আর টাস্কটা — আপনার নাম, ইমেইল বা পেমেন্টের তথ্য কখনো না। Speechmatics থেকে ট্রান্সক্রিপ্ট নেওয়া হয়ে গেলেই আমরা সেটা ওদের কাছ থেকে মুছে দিই।
  • চ্যাট বক্স, যদি আপনি সেখানে কিছু লেখেন।
  • YouTube, তবে শুধু তখনই — যখন কোনো লেখার ভিডিওতে আপনি play চাপবেন। প্রথমে আপনি আমাদেরই একটা ছবি দেখেন; ওই বোতামে চাপ না দেওয়া পর্যন্ত YouTube-এ কিছুই যায় না। চাপলে ভিডিওটা ওদের প্লেয়ারে চলে, আর ওদের সাইটে খুললে যা দেখত, ওরা তা-ই দেখে।
  • যারা সাইটটা সচল আর দ্রুত রাখে — request কোন ঠিকানা থেকে আসছে সেটা ওদের দেখতেই হয়।

দুটো জিনিস আমরা ইচ্ছা করেই আটকে রাখি

পরীক্ষার ভেতরে কোনো হিসাব রাখা হয় না। আপনি যখন পেপার দিচ্ছেন বা রেজাল্ট দেখছেন, তখন কোনো ট্র্যাকিং চলে না। ঘড়ি ধরে পরীক্ষা দেওয়া মানুষটাকে গুনে রাখার জিনিস মনে করি না।

পাসওয়ার্ড আর ভেরিফিকেশনের লিংক কোথাও রিপোর্ট হয় না। ওই লিংকগুলোয় একবার ব্যবহারযোগ্য একটা কোড থাকে। Google-এ কিছু পাঠানোর আগেই সেই কোডটা বাদ দিয়ে দেওয়া হয় — ওটা আপনার ব্রাউজারেই থেকে যায়, আর কোথাও যায় না।

আপনার ব্রাউজারে যা জমা থাকে

খুব কম, আর বিজ্ঞাপনের জন্য একটাও না:

  • আপনি কোন ভাষা বেছেছেন, যাতে পরেরবার সাইটটা বাংলা বা ইংরেজিতেই খোলে। শুধু আপনি সুইচ চাপলেই এটা জমা হয়।
  • আপনার সাইন-ইন, যাতে প্রতি পেজে আবার পাসওয়ার্ড দিতে না হয়। ব্রাউজারের ডেটা মুছলে লগআউট হয়ে যাবেন।
  • Google Analytics নিজের একটা ছোট চিহ্ন রাখে — শুধু আপনি অনুমতি দিলে। ব্রাউজারে ওটা আটকে দিলেও সাইট চলতে সমস্যা হবে না।
  • কুকি নিয়ে আপনার উত্তরটা, যাতে প্রতিবার আবার জিজ্ঞেস করতে না হয়। এটা আপনার ব্রাউজারের বাইরে কখনো যায় না।

এগুলোর প্রতিটা কী কাজে লাগে আর মত বদলানোর উপায় কী — সব আছে আমাদের কুকি পলিসি-তে।

কতদিন রাখি

  • অ্যাকাউন্ট আর পরীক্ষার ইতিহাস, Speaking-এর রেকর্ডিং, ট্রান্সক্রিপ্ট আর AI মূল্যায়নসহ — যতদিন অ্যাকাউন্ট আছে। মুছে দিলে চলে যায়।
  • পেমেন্টের রসিদ — সাত বছর, কারণ ট্যাক্সের আইনে রাখতে হয়। শুধু রসিদ; কার্ডের তথ্য তো আমরা কখনো পাইই না।
  • সাপোর্টের মেইল আর চ্যাট — দুই বছর, যাতে আগেরবার কী কথা হয়েছিল দেখা যায়।
  • বাকি সব, লগে থাকা ঠিকানাসহ — নব্বই দিন।

আপনি যা বলতে পারেন

অ্যাকাউন্টের ইমেইল থেকে [email protected]-এ লিখলে আপনি বলতে পারেন —

  • আপনার সম্পর্কে আমাদের কাছে কী কী আছে দেখান;
  • ভুল কিছু থাকলে ঠিক করে দিন — বেশির ভাগই আপনি নিজেই profile থেকে বদলাতে পারবেন;
  • অ্যাকাউন্ট আর সবকিছু মুছে দিন। কিছু রাখতেই হলে কেন রাখতে হচ্ছে সেটা পরিষ্কার করে বলব — বাস্তবে সেটা শুধু উপরের রসিদগুলো;
  • আর মেইল পাঠাবেন না। দরকারি নয় এমন প্রতিটা মেইলে unsubscribe লিংক আছে। ভেরিফিকেশন আর পাসওয়ার্ড রিসেটের মেইল বিজ্ঞাপন নয়, অ্যাকাউন্ট খোলা থাকলে ওটা বন্ধ করা যায় না।

চৌদ্দ দিনের মধ্যে উত্তর দিই।

বয়স

এটা IELTS-এর প্রস্তুতির জন্য, বাচ্চাদের জন্য বানানো না। অ্যাকাউন্ট খুলতে ১৬ বছর বা তার বেশি হতে হবে। ১৬ থেকে ১৮-র মধ্যে হলে অভিভাবকের সম্মতি নিয়ে করবেন। কারও বয়স ১৬-র কম জানতে পারলে আমরা অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে সব মুছে দিই।

কোথায় রাখা থাকে

আমাদের নিজেদের রেকর্ড আমাদের কাছেই থাকে, ব্যাকআপও। উপরের কিছু সেবা বাংলাদেশের বাইরের কম্পিউটারে চলে — ইন্টারনেট সব দেশেই এভাবে চলে।

এই পেজ বদলালে

গুরুত্বপূর্ণ কিছু বদলালে উপরের তারিখটা বদলে দেব আর যাদের অ্যাকাউন্ট আছে সবাইকে মেইল করব। বানান বা শব্দের ছোট সংশোধন এমনিই করে দেব।

যোগাযোগ

Mock Test — ঢাকা, বাংলাদেশ [email protected]