Reading

IELTS Reading-এ স্কিমিং আর স্ক্যানিং: প্রতিটা শব্দ পড়া বন্ধ করুন

৬০ মিনিটে ৪০ প্রশ্ন, প্যাসেজে ২,৭৫০ শব্দ পর্যন্ত। স্কিমিং আর স্ক্যানিং আসলে কী, কোন নিয়মে পড়লে সময় কুলায়, আর কিওয়ার্ড মিলে গেলেই উত্তর হয় না কেন।

Play চাপলে ভিডিওটা এখানেই চলবে, YouTube থেকে।YouTube-এ দেখুন

রিডিংয়ে সময় শেষ হয়ে যায় কেন? বেশির ভাগ মানুষ ভাবেন, "আমি ইংরেজি ধীরে পড়ি বলে।" আসল কারণটা আরেকটু ভেতরে।

সমস্যাটা হলো, প্যাসেজটা পড়া হয় গল্পের বইয়ের মতো — প্রথম লাইন থেকে শেষ লাইন, প্রতিটা শব্দে সমান মনোযোগ। তারপর প্রশ্নে এসে আবার ওই লেখাতেই ফিরে যেতে হয়। একই লেখা পড়া হয়ে যায় ছয়-সাতবার।

আমি Listening আর Reading-এর খাতা দেখি। কেউ যখন প্র্যাকটিস পেপার নিয়ে আসেন আর শেষ দশটা প্রশ্ন ফাঁকা থাকে, প্রায় সবসময়ই কারণটা এটাই।

হিসাবটা একবার নিজেই করে দেখুন

ielts.org-এ Academic Reading-এর হিসাব দেওয়া আছে: সময় ৬০ মিনিট, প্রশ্ন ৪০টা, সেকশন ৩টা, আর তিন সেকশন মিলিয়ে লেখা "2150–2750 words"। General Training-এও একই ঘণ্টা, একই ৪০ প্রশ্ন, লেখা একটু কম — ২,১৫০ থেকে ২,৩৭৫ শব্দ।

এবার নিজের পড়ার গতিটা মেপে দেখুন। ইংরেজি খবরের কাগজের একটা লেখা নিয়ে বসুন, এমনভাবে পড়ুন যাতে বিষয়টা সত্যিই বুঝতে পারেন, আর ঘড়ি ধরুন। দ্বিতীয় ভাষায় বেশির ভাগ মানুষের গতি মিনিটে ১৮০ থেকে ২৫০ শব্দ। অচেনা বিষয় হলে, ঘড়ি সামনে থাকলে আরও কমে।

মিনিটে ২০০ শব্দ ধরলে ২,৭৫০ শব্দে লাগে প্রায় চৌদ্দ মিনিট। মনে রাখবেন, এটা শুধু একবার পড়া — একটা প্রশ্নেরও উত্তর দেওয়া হয়নি।

তাতেও ৪০টা প্রশ্নের জন্য পঁয়তাল্লিশ মিনিটের মতো থাকে, খারাপ না। সর্বনাশটা হয় দ্বিতীয়, তৃতীয় আর চতুর্থবার পড়তে গিয়ে। প্রতিবারে আরও চৌদ্দ মিনিট, যা আপনার হাতে নেই। ফল যা হয় সবাই জানেন: প্রথম প্যাসেজ ভালো করে পড়া হয়, দ্বিতীয়টা আধাআধি, আর তৃতীয়টা প্রায় দৌড়ে — অথচ কঠিনটা তো ওটাই।

স্কিমিং আর স্ক্যানিং — কথাটা যত সহজ, কাজটা তত না

শব্দ দুটো সবাই শুনেছেন। কিন্তু বেশির ভাগ সময় দুটোকেই ধরে নেওয়া হয় "তাড়াতাড়ি পড়া" হিসেবে, আর ওখানেই গণ্ডগোল।

IELTS-এর তিন মালিকের একটা IDP নিজেদের পেজে এক লাইনে লিখে রেখেছে:

তার মানে স্কিম করা মানে দ্রুত পড়া নয়। এটা লেখার কাঠামোটা দেখে নেওয়া — শিরোনাম, হেডিং, প্রতিটা প্যারাগ্রাফের প্রথম লাইন, আর চোখে পড়ার মতো নাম বা সংখ্যা। আপনি আসলে মনে মনে একটা ম্যাপ বানাচ্ছেন: তিন নম্বর প্যারাগ্রাফে আপত্তিটা আছে, পাঁচ নম্বরে গবেষণার কথা। প্রশ্ন এলে তখন আর হাতড়াতে হয় না।

আর স্ক্যান করা তো পড়াই নয়। চোখ একটা আকৃতি খুঁজছে — বড় হাতের অক্ষর, একটা সাল, একটা সংখ্যা। যে লাইনগুলোর ওপর দিয়ে যাচ্ছেন, সেগুলো বোঝার চেষ্টাও করছেন না। বুঝতে শুরু করলেই বুঝবেন, স্ক্যান করা থেমে গেছে।

নম্বরটা আসে তৃতীয় কাজটায়, আর সেটা ইচ্ছে করেই ধীরে করতে হয়: যে জায়গাটা পেলেন, তার আশপাশের দুই-তিনটা লাইন মন দিয়ে পড়া।

যে ক্রমে এগোলে ঘণ্টাটা কুলায়

উপরের ভিডিওতে এই ক্রমটাই দেখানো আছে। প্র্যাকটিস পেপারে আমি এটাকেই কাজ করতে দেখি:

  1. প্যাসেজটা স্কিম করুন। দুই-তিন মিনিট। শিরোনাম, হেডিং, প্রতি প্যারাগ্রাফের প্রথম লাইন। অচেনা শব্দে আটকাবেন না, পরে দেখা যাবে।
  2. একটা প্রশ্ন ভালো করে পড়ুন। প্রশ্নই বলে দেয় কী খুঁজতে হবে — কোন নাম, কোন সময়, কোন প্রক্রিয়া।
  3. কিওয়ার্ড ঠিক করুন, আর তার বিকল্প শব্দগুলোও ভাবুন। প্রশ্নে "cheap" থাকলে প্যাসেজে সেটা "low-cost" বা "affordable" হয়ে বসে থাকতে পারে। নাম আর সংখ্যা বদলায় না, বিশেষণ প্রায় সবসময়ই বদলায়।
  4. জায়গাটা স্ক্যান করুন। উত্তর নয় — জায়গা।
  5. ওই জায়গাটা আর তার পরের লাইনটা পড়ুন। তারপর উত্তর লিখে পরের প্রশ্নে যান।

সবাই যেটা বাদ দেন, সেটা এক নম্বর ধাপ। কারণ স্কিম করার সময় মনে হয়, পড়ছি অথচ কোনো প্রশ্নের উত্তর তো হচ্ছে না। অথচ ওই ধাপটার জন্যই চার আর পাঁচ নম্বর ধাপ দ্রুত হয়। ম্যাপ ছাড়া স্ক্যান মানে প্রতি প্রশ্নে পুরো প্যাসেজ তন্নতন্ন করে খোঁজা।

কিওয়ার্ড মিলে গেছে মানেই উত্তর পেয়ে গেছেন, এমন নয়

এবার সেই ফাঁদটা, যেটায় সময় নষ্ট না হলেও নম্বর যায়।

স্ক্যান করে কিওয়ার্ডটা পাওয়া গেল বারো নম্বর লাইনে। লাইনটা পড়া হলো, উত্তরও লেখা হয়ে গেল। লাইনে ঠিক সেটাই লেখা যেটা আশা করেছিলেন। পরের লাইনটা শুরু হচ্ছে "However, subsequent trials found no such effect" দিয়ে। নম্বরটা ওখানেই গেল।

প্রশ্ন তো বানানোই হয় ঘুরিয়ে লেখা ভাষায়। শব্দ মিলিয়ে উত্তর পাওয়া গেলে এটা ইংরেজির পরীক্ষা থাকত না, চোখের পরীক্ষা হয়ে যেত।

সমাধানটা একদম যান্ত্রিক, সময় লাগে চার সেকেন্ড: কিওয়ার্ড পেলে পরের লাইনটা শেষ না করে উত্তর লিখবেন না।

এই অভ্যাসটার অভাবেই True/False/Not Given আর Yes/No/Not Given-এ সবচেয়ে বেশি নম্বর যায়। ওখানেই যদি বেশি ভুল হয়, তাহলে সমস্যা আপনার স্ক্যান করায় নয় — প্রমাণ কাকে বলে, সেই জায়গায়: False আর Not Given-এর পার্থক্য, আর যে পরীক্ষাটা ঝামেলা মিটিয়ে দেয়।

কোন প্রশ্নে কাজে লাগে, কোথায় লাগে না

স্কিমিং আর স্ক্যানিং তথ্য খুঁজে বের করার কৌশল। যেসব প্রশ্ন পুরো একটা অংশ নিয়ে রায় চায়, সেখানে এরা খুব একটা কিছু করতে পারে না।

প্রশ্নের ধরনস্কিম-স্ক্যানে যা পাবেনতবু যা মন দিয়ে পড়তে হবে
Sentence, note ও summary completionপ্রায় পুরোটাই — এগুলো সাধারণত লেখার ক্রমেই আসেযে লাইনে পৌঁছালেন, গ্রামার আর শব্দসীমার জন্য
Matching informationস্কিম থেকে পাওয়া প্যারাগ্রাফের ম্যাপপ্রতিটা সম্ভাব্য প্যারাগ্রাফ, কারণ প্রশ্নগুলো লেখার ক্রমে থাকে না
Matching Headingsপ্রতি প্যারাগ্রাফের প্রথম লাইন, মানে স্কিমটাইযেখানে দুটো হেডিংই ঠিক মনে হচ্ছে, সেই প্যারাগ্রাফগুলো
True/False/Not Givenশুধু জায়গাটাওই লাইন, আর তার পরেরটা

ielts.org চারটা প্রশ্নের নিচে লিখে রেখেছে “the questions are in the same order as the information in the text” — multiple choice, sentence completion, matching sentence endings আর short-answer। Matching information-এর নিচে ওই কথাটা নেই; সেখানে লেখা আছে একই প্যারাগ্রাফ একাধিকবার লাগতে পারে, আর সব প্যারাগ্রাফ লাগবেও না। এজন্যই এই প্রশ্নে ভালো স্কিমের দাম সবচেয়ে বেশি — ম্যাপটাই আপনাকে প্রতিবার পুরো প্যাসেজ খোঁজা থেকে বাঁচায়।

কৌশল নয়, ঘড়িটাই যদি মূল সমস্যা হয়, তাহলে এর সঙ্গের লেখাটা পড়ুন: ৬০ মিনিট সেকশন ধরে ধরে ভাগ করার পরিকল্পনা।

এই সপ্তাহে যেভাবে প্র্যাকটিস করবেন

কৌশল ততক্ষণ কাজে আসে না, যতক্ষণ না সেটা থামা ছাড়া এক ঘণ্টায় টিকে যায়। তিনটা কাজ, এই ক্রমে:

  • একটা প্যাসেজ, শুধু স্কিম। তিন মিনিট। তারপর প্যাসেজ ঢেকে রেখে চার লাইনে লিখুন, কোন প্যারাগ্রাফে কী ছিল। এবার মিলিয়ে দেখুন। যতদিন না বেশির ভাগ মিলতে শুরু করে, এটা চালিয়ে যান।
  • একটা প্যাসেজ, প্রশ্ন ধরে ধরে। সময়ের বাঁধন ছাড়াই। প্রতিটা উত্তরের পাশে লিখুন কোথায় পেয়েছেন — কত নম্বর প্যারাগ্রাফ, কোন লাইন। লিখতে না পারলে বুঝবেন ওটা অনুমান ছিল।
  • পুরো একটা পেপার, ৬০ মিনিট, থামা নেই। শেষে প্রশ্নের ধরন ধরে দুটো সংখ্যা লিখুন: কত নম্বর পেলেন, আর কত মিনিট গেল। পরের বার কী ঠিক করতে হবে, ওই সংখ্যাই বলে দেবে।

আমাদের রিডিং পেপারগুলো ঠিক এই কাজের জন্যই। পুরোনো Cambridge বইয়ের ধাঁচে পুরো দৈর্ঘ্যের পেপার, আর স্ক্রিনটা computer-delivered পরীক্ষার মতো — পাশাপাশি প্যাসেজ আর প্রশ্ন, হাইলাইটার, ফ্ল্যাগ, আর সেই একই ঘড়ি। জমা দেওয়ার সাথে সাথে Reading আর Listening-এর নম্বর চলে আসে, তাই দেখতে পাবেন কোন উত্তরটা আসলে "however"-এর আগের লাইন থেকে দিয়েছিলেন। Cambridge-এর সব পেপার ফ্রি। আমরা Cambridge, IDP বা British Council-এর সাথে যুক্ত নই।

পদ্ধতি ভুল নয়, পড়াটাই যদি ধীর হয়, কারণটা সাধারণত আরও গোড়ায়: সময় না কুলানো কেন আসলে শব্দভাণ্ডারের সমস্যা।

উপরের তথ্য আর উদ্ধৃতিগুলো ielts.org আর IDP-র পেজ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ মিলিয়ে নেওয়া।

শেয়ার

এ বিষয়ে প্রশ্ন

স্কিমিং আর স্ক্যানিং জিনিসটা আসলে কী?

IELTS-এর মালিক প্রতিষ্ঠানগুলোর একটা IDP এক লাইনেই বলে দিয়েছে। স্কিমিং মানে দ্রুত চোখ বুলিয়ে পুরো প্যাসেজটা কী নিয়ে সেটা ধরা, আর স্ক্যানিং মানে দ্রুত খুঁজে নির্দিষ্ট তথ্যটা বের করা। স্কিম করবেন একবারই, প্রশ্ন পড়ার আগে। স্ক্যান করবেন প্রতি প্রশ্নে একবার। মনে রাখবেন, এ দুটোর কোনোটাতেই নম্বর আসে না — নম্বর আসে তৃতীয় ধাপে, খুঁজে পাওয়া দুই-তিনটা লাইন মন দিয়ে পড়ায়।

আগে প্যাসেজ পড়ব, নাকি আগে প্রশ্ন?

IELTS কোথাও বলে দেয়নি কোনটা আগে পড়তে হবে। কেউ যদি বলে 'এটাই নিয়ম', ধরে নিন সেটা তার নিজের অভ্যাস। খাতা দেখার অভিজ্ঞতা থেকে যেটা কাজ করে: শুরুতে দুই-তিন মিনিটের একটা স্কিম, তারপর একটা একটা প্রশ্ন ধরে এগোনো — প্রশ্ন পড়ুন, জায়গা খুঁজুন, ওই জায়গাটা পড়ুন, উত্তর দিন।

স্কিম করতে কত সময় দেওয়া উচিত?

অফিসিয়াল কোনো হিসাব নেই, বানিয়েও বলব না। প্র্যাকটিস পেপার দেখে যেটা বলতে পারি: প্রতি প্যাসেজে দুই থেকে তিন মিনিট যথেষ্ট। এর মধ্যেই শিরোনাম, হেডিং আর প্রতিটা প্যারাগ্রাফের প্রথম লাইনটা চোখে পড়ে যায়। ছয়-সাত মিনিট লেগে গেলে বুঝবেন সেটা আর স্কিম নেই, আপনি পড়া শুরু করে দিয়েছেন।

পুরো প্যাসেজ পড়ে ফেললে সমস্যা কোথায়?

নিষেধ কিছু নেই, হিসাবটাই মেলে না। ielts.org বলছে Academic Reading-এ তিন সেকশনে লেখা থাকে ২,১৫০ থেকে ২,৭৫০ শব্দ, প্রশ্ন ৪০টা, সময় ৬০ মিনিট। পুরোটা একবার মন দিয়ে পড়তেই ঘণ্টার বড় অংশ চলে যায়। এরপর প্রতি প্রশ্নে আবার ফিরে গেলে সময় আর থাকে না। কৌশলটা তাই পড়ার গতি নিয়ে নয় — একই লেখার ওপর দিয়ে কতবার যাচ্ছেন, সেটা নিয়ে।

প্রশ্নের শব্দগুলো কি প্যাসেজে হুবহু থাকে?

বেশির ভাগ সময় থাকে না, ঘুরিয়ে লেখা থাকে। এজন্যই IDP বলে স্ক্যান করার সময় নাম, তারিখ, সংখ্যা আর সাল খুঁজতে — এগুলো ঘুরিয়ে লিখলেও বদলায় না। আর যে শব্দটা মিলে গেল, সেটা উত্তর নয়, স্রেফ ঠিকানা। খাতা দেখতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি যে ভুলটা চোখে পড়ে: কিওয়ার্ড যে লাইনে, সেটা পড়েই উত্তর লিখে ফেলা — অথচ ঠিক পরের লাইনেই কথাটা উল্টে গেছে।

পড়া আর দেওয়া এক জিনিস নয়

ক্যামব্রিজের সব পেপার ফ্রি, আসল পরীক্ষার একই স্ক্রিনে।

ক্যামব্রিজের সব পেপার ফ্রি — শুধু সাইন ইন করুন।

XXXXXXX  ·  123456737:12বাকি

Part 1 · Questions 1–13

the highlighter works exactly as it does on the day

Choose TWO letters, A–E.

✓A  it was built before the harbour
B  the stone came from further north
✓C  the design was never finished
D  it has been rebuilt twice since
Part 112345678910111213
Reading, Part 1 · পেপারের মাঝামাঝি একজন পরীক্ষার্থী

Reading নিয়ে আরও

Reading৭ অক্টো, ২০২৬ · ৮ মিনিটের পড়া

IELTS Yes No Not Given: তথ্য নয়, লেখকের মত

True/False/Not Given-এর মতোই তিন ভাগের সিদ্ধান্ত, বাড়তি কাজ একটাই — finding আর opinion আলাদা করা। official সংজ্ঞা, আর যে verb গুলো লেখকের মত ধরিয়ে দেয়।

পড়ুন
Reading৭ অক্টো, ২০২৬ · ৮ মিনিটের পড়া

IELTS Reading-এ সময় কুলোয় না? সমস্যাটা সাধারণত শব্দভাণ্ডারে

সময় না কুলানো উপসর্গ মাত্র। Cambridge বলছে এই পেপার মাপে synonym আর paraphrase — আর প্রতিটা শব্দ বোঝার দরকার নেই। তা থেকে যে অনুশীলনগুলো আসে।

পড়ুন
Reading৭ অক্টো, ২০২৬ · ৮ মিনিটের পড়া

IELTS Short Answer আর Diagram Labelling: চুপচাপ দুই প্রশ্ন

সবচেয়ে কম আসে, অথচ নম্বর হারানো সবচেয়ে সহজ। যে ক্রমে ভরসা করা যায়, Cambridge-এর তিন ধাপের diagram পদ্ধতি, আর ওরা নিজেরাই যে ফাঁদটা দেখিয়ে দিয়েছে।

পড়ুন